১৯১ পোশাক শ্রমিক করোনায় আক্রান্ত

অর্থনৈতিক রিপোর্টার

অনলাইন ৩০ মে ২০২০, শনিবার, ৬:১৯

দেশের তৈরি পোশাক খাতের ৯০টি কারখানায় ১৯১ জন পোশাক শ্রমিক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে বিজিএমইএর ১০৫ জন, বিকেএমইএ’র ৫৭ জন, ইপিজেডগুলোতে ১৪ জন ও অন্যান্য পোশাক কারখানায় ১৩ জন শ্রমিক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। শিল্প পুলিশ ও পোশাক খাত সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এদিকে পোশাক মালিকদের বড় সংগঠন বিজিএমইএ’র উদ্যোগে পোশাক কারখানাগুলোয় করোনা আক্রন্তের তথ্য সংগ্রহ ও শ্রমিকদের চিকিৎসা দিতে কাজ কর‌ছে কয়েকটি টিম। তাদের সংগ্রহ করা তথ্য অনুযায়ী গত ২৮শে এপ্রিল দেশের পোশাক কারখানায় প্রথম একজনের করোনার উপসর্গ পাওয়া যায়।

সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিজিএমইএ সদস্যভুক্ত পোশাক কারখানায় এখন পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ১০৩ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১৯ জন। বাকি ৮৪ জনের এখনো কোভিড-১৯ পজেটিভ রয়েছেন।

শিল্প পুলিশের তথ্যমতে, দেশের ৯০টি কারখানার ১৯১ জন পোশাক শ্রমিক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে বিজিএমইএ সদস্যভুক্ত কারখানার সংখ্যা ৪৬টি।
এসব কারখানার ১০৫ জন শ্রমিক করোনায় আক্রান্ত। অন্যদিকে বিকেএমইএ’র সদস্য ২১টি কারখানায় ৫৭ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এর বাইরে ইপিজেডগুলোতে অবস্থিত ১০টি কারখানার ১৪ জন ও অন্যান্য ১২টি পোশাক কারখানার ১৩ জন শ্রমিক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

এছাড়া বিটিএমএ সদস্য একটি টেক্সটাইল মিলসে দু’জন শ্রমিক আক্রান্ত হয়েছেন। শিল্প পুলিশের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সারাদেশের পোশাক কারখানার মধ্যে ঢাকার আশুলিয়ায় সবচেয়ে বেশি শ্রমিক আক্রান্ত হয়েছেন। আশুলিয়ার ২৬টি কারখানার ৬১ জন শ্রমিক আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া নারায়ণগঞ্জে ২৩টি কারখানার ৬০ জন শ্রমিক আক্রান্ত হয়েছেন। চট্টগ্রামে ১৪টি পোশাক কারখানার ১৭ জন শ্রমিক, ময়মনসিংহে তিনটি কারখানার চার জন শ্রমিক এবং খুলনায় একটি কারখানার একজন শ্রমিক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Mohiuddin Palash

২০২০-০৫-৩০ ২০:৫৫:০৭

অনুরোধ করছি সমাধান একটায় পনর বা বিশ দিনের জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করুন । ছুটিও বাতিল করাটা ঠিক হচ্ছে না মাননিয় অভিভাবক। যাদের করোনা উপসর্গ হয়নি ওরা বুঝবে না করোনার জালা কি, যাদের তেমন টাকাকরি নাই তারা বুঝে করোনার উপসর্গ কি। মানুষকে যখন মৃত্যুর মুখো মুখী দাড়িয়ে যায় তখন পরিবারিক, রাজনৈতীক ভুলে যায়। সীমিত হয়ে পরে তার সব টুকু। প্রয়োজন ছিলো পনর বা বিশ দিনের জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা।

shiblik

২০২০-০৫-৩০ ১৮:৫৪:২৪

The workers need special care including supplementary nutritious food while at work, free hygiene items and protective masks at least for the next few months. This minimal expenses now would give higher returns to the garments factory owners in the long run.

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত