বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়

৭৬০ দিন অনুপস্থিত থেকেও তিনি উপাচার্য

অনলাইন ডেস্ক

শিক্ষাঙ্গন ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বৃহস্পতিবার | সর্বশেষ আপডেট: ৭:৪৪

রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহর ক্যাম্পাসে অনুপস্থিতি শুধু বাড়ছেই। যোগদানের ৯৮৭ কার্য দিবসে তিনি অনুপস্থিত ৭৬০ দিন। এতদিন অনুপস্থিত থেকে উপাচার্যের পদে বহাল থাকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে সর্বত্র। এ নিয়ে ক্যাম্পসজুড়েও চলছে নানা আলোচনা। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগের শর্তে বলা হয়েছে, উপাচার্যকে সার্বক্ষণিক ক্যাম্পাসে উপস্থিত থাকতে হবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহর দীর্ঘ অনুপস্থিতিত সে শর্ত ভঙ্গ হয়েছে।   

এরই মধ্যে এক সপ্তাহ আগে উপাচার্যের অনুপস্থিতির তালিকা প্রকাশ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সংগঠন অধিকার সুরক্ষা পরিষদ।  সংগঠনটির নেতারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ রাসেল মিডিয়া চত্বরে একটি নোটিশ বোর্ড স্থাপন করে তাতে উপাচার্যের অনুপস্থিতির দিন

গুনছেন। তারা জানান, যোগদানের পর থেকে মাত্র ২২৭ দিন ক্যাম্পাসে উপস্থিত হন অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ। এর মধ্যে কোনোদিন এক কিংবা দুই ঘন্টা অবস্থান করেন।
এক সপ্তাহ আগে  প্রকাশ করা ওই তালিকায় অনুপস্থিতির সংখ্যা শুধু পরিবর্তন হচ্ছে।  অধিকার সুরক্ষা পরিষদের নেতারা জানান, পরবর্তীতে শুধু দিন নয়, ঘন্টা ও মিনিটের তালিকাও প্রকাশ করা হবে।

অধিকার সুরক্ষা পরিষদের আহ্বায়ক ড. মতিউর রহমান জানান, বর্তমান উপাচার্যের নিয়োগপত্রে সার্বক্ষণিক ক্যাম্পাসে উপস্থিত থাকার কথা বলা থাকলেও তিনি ক্যাম্পাসে অনুপস্থিত থাকেন। দিনের পর দিন, মাসের পর তিনি অনুপস্থিত থাকায় আমরা তার তালিকা প্রকাশ করেছি।
তিনি আরো জানান, প্রতিদিনই এই তালিকা হালনাগাদ করা হচ্ছে। আমরা চাই উপাচার্য ক্যাম্পাসে নিয়মিত আসুক। কিন্তু অনুপুস্থিতির তালিকা বোর্ড স্থাপনের সাতদিন পরও তিনি এলেন না।

এর আগে ৫ই ফেব্রুয়ারি শিক্ষকদের সংগঠন অধিকার সুরক্ষা পরিষদ যাত্রা শুরু করে। তারপর ১১ই ফেব্রুয়ারি সংগঠনটি ২১ দফা দাবি নিয়ে ডিজিটাল ব্যানারে প্রিন্ট করে উপাচার্য ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহর কক্ষের দরজায় সেঁটে দেয়। ওই দাবিগুলোর মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য ছিল নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী ভিসির নিয়মিত ক্যাম্পাসে উপস্থিত থাকা।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের জুনে বেরোবির উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ। এ ছাড়া তিনি ঢাবির লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৫ সালে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপির) উপ-উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

ড. নাজমুল আহসান কলিম

২০২০-০২-২৭ ১৯:৫০:৪১

এই লোক হচ্ছে সবচেয়ে বড় দালাল। এই লোকের জন্য কোনো প্রযোজ্য নয়

দেলোয়ারহোসেন

২০২০-০২-২৭ ০৬:১৯:০৫

খুবই হতাশ, কি ভাবেএটা সম্ভব

দেলোয়ারহোসেন

২০২০-০২-২৭ ০৬:১৩:৫৬

মাননীয় মহোদয় কে, পদত্যাগ এর আহবান জানাচ্ছি।

পাপলু

২০২০-০২-২৭ ১৭:০৬:৪১

তার মাথায় একটা পরচুলা পরিয়ে দেয়া যেতে পারে। খালি মাথায় পরচুলায় মানুষের চেহারা পাল্টে যায়। চেহারা পাল্টালে নাকি মানুষের স্বভাবও পাল্টে যায়। তাই চেষ্টা করে দেখা যেতে পারে।

Md Kamrul Hassan

২০২০-০২-২৭ ০৪:০৬:৩৯

সাবেক মন্ত্রী মহিউদ্দীন খান আলমগীরের ভাগিনা তিনি। ওনার মামা সচিব ছিলেন, সরকারি চাকরিকালীন সময়ে ১৯৯৬ সালে জনতার মঞ্চ তৈরির অন্যতম কারিগর ছিলেন। সরকারি চাকরিকালীন কেউ সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া রাষ্ট্রদ্রোহীতার সামিল। সরকারের আইন অমান্য করা পারিবারিক রেওয়াজ ওনাদের!

Azad

২০২০-০২-২৭ ১৬:২৪:২৪

very difficult to understand his character ...............

mahbub.thakur@gmail.

২০২০-০২-২৭ ১৬:০৭:২০

তিনি খুবই সত এবং প্রভু ভক্ত।কারন পাচ জানুয়ারীর নির্বাচনের জানিপপ নামের সংসথার কর্নধার।

মুহাম্মদ জসিম উদ্দীন

২০২০-০২-২৭ ০২:২১:৫৪

আচায্য

Md. Harun Al-Rashid

২০২০-০২-২৭ ১৪:২৭:৫৩

রুপ কথার রাজ্যে খড়ম ছিল প্রতিকী রাজা। তাই সততার নসিহতকারির আধ্যাত্নিক উপস্হিতিই যথেষ্ট।

তপু

২০২০-০২-২৭ ০০:৩২:১২

তিনি সরকারের অতি আস্থাভাজন ব্যক্তি।

জাফর আহমেদ

২০২০-০২-২৭ ০০:১৪:২৪

নির্ঘাত তিনি ক্ষমতা দর দের আশির্বাদ পুষ্ট , আর ক্ষমতা শীল দল করলে সব কিছুর লাইসেন্স পাওয়া যায়।।।

আপনার মতামত দিন



শিক্ষাঙ্গন অন্যান্য খবর



শিক্ষাঙ্গন সর্বাধিক পঠিত



প্রধানমন্ত্রীর লেখা চিঠি পৌঁছে যাবে আজকেই

১৭ই মার্চের প্রাথমিকের সকল কর্মসূচি বাতিল