জবিতে একুশ

কবর, চেতনায় একুশ ও বাকরুদ্ধ ভাষা

জবি প্রতিনিধি

শিক্ষাঙ্গন ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শনিবার | সর্বশেষ আপডেট: ৭:৩৫

নাটক- কবর
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রঙ্গভূমি'র আয়োজনে মহান আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে পরিবেশ থিয়েটার আঙ্গিকে নির্মিত পথনাট্য প্রযোজনা - ০২ "কবর" নাটক প্রদর্শিত হয়েছে।

 বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১:৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভষ্কর্য(৭১-এর গণহত্যা) চত্বরে এর প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয় ।

 মুনীর চৌধুরী রচিত এ নাটকের  পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় ছিলেন মাসফিকুল হাসান টনি।

আবৃত্তি সংসদের আয়োজনে ‘চেতনায় একুশ’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আবৃত্তি সংসদ কর্তৃক  আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ‘চেতনায় একুশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহীদ রফিক ভবনের প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়।  অনুষ্ঠান জুড়ে ছিল অর্ধশতাধিক আবৃত্তি শিল্পীর মাতৃভাষা কেন্দ্রীক একক ও বৃন্দ আবৃত্তি, গান, নাচ, প্রবন্ধপাঠসহ নানা আয়োজন।

প্রদীপ প্রজ্জলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান উদ্ভোধন করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ট্রেজারার অধ্যাপক ড.কামাল উদ্দিন আহমদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন আবৃত্তি সংসদের ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা জনাব কামরুল ইসলাম জুয়েল, শিক্ষা ও প্রশিক্ষন উপদেষ্টা জনাব কে এম সুজাউদ্দিন, সভাপতি আব্দুল্যাহ আল সায়মূন পাভেলসহ আবৃত্তি সংসদের সাবেক ও বর্তমান সদস্যবৃন্দ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন আবৃত্তি সংসদের সাধারণ সম্পাদক নোমান হাসান।

পথনাট্য ‘বাকরুদ্ধ ভাষা’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) মুক্তমঞ্চ আন্দোলন পরিষদের আয়োজনে বায়ান্ন ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষিতে ‘বাকরুদ্ধ ভাষা’ পথনাট্য প্রদর্শিত হয়েছে। একুশের প্রথম প্রহরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শহিদ মিনার চত্বরে এই নাটক প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।

নাটকটির পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় ছিলেন মুক্তমঞ্চ আন্দোলনের আহ্বায়ক এবং নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থী নাঈম রাজ।

অভিনয় করেন নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থী এইচ এম তানভীর এবং নাঈম রাজ। নাটকটির মেক-আপে ছিলেন নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থী সাইফ আহমেদ।

এবিষয়ে জগন্নাথ বিশ্বিবিদ্যালয় মুক্তমঞ্চ আন্দোলন পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক ও চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থী আরাফাত আমান বলেন, মুক্তমঞ্চ  হচ্ছে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ কিন্তু দুঃখের সহিত বলতে হয় জগন্নাথ বিশ্বিবিদ্যালয়ে কোনো মুক্তমঞ্চ না থাকায় সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড গুলো বড় রকমের বাঁধার সম্মুখীন হচ্ছে। এরই প্রেক্ষিতে মুক্তমঞ্চ আন্দোলন পরিষদের কার্মসূচি হিসেবে আজকের এই পারফরমেন্স আর্টটি পরিবেশিত হয়। আমাদের সংস্কৃতিমনা মাননীয় উপাচার্য মহোদয়ের প্রতি আকুল আহ্বায়ন, বিশ্ববিদ্যালয়ে অতিদ্রুত একটি মুক্তমঞ্চ স্থাপন করে শ্বাসরুদ্ধ সংস্কৃতির প্রাণ ফিরিয়ে আনতে আকুল আহ্বায় জানাচ্ছি।

বাকরুদ্ধ ভাষা নাটকটি মঞ্চায়নের সম্পর্কে নাঈম রাজ বলেন, শত বাঁধা অত্যাচার পেরিয়ে ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি এক সাগর রক্তের বিনিময়ে  আমরা ভাষার স্বাধীনতা পেলেও সেই ভাষা আজ পরাধীন, বাকরুদ্ধ।
আজকে আমরা বাক-স্বাধীনতা হারিয়ে ফেলেছি। মুক্ত চিন্তার স্বাধীনতা হারিয়ে ফেলেছি। বাংলা ভাষা আজ গুমরে গুমরে কাঁদছে। ভাষা শ্বাসরুদ্ধ।

‘বাকরুদ্ধ ভাষা’ পারফরমেন্স আর্টটিতে দু'টি চরিত্র অভিনয় করে। একটি ‘বাকরুদ্ধ ভাষা’-যে আত্মচিৎকার করে। সমাজকে তাঁর মনের বিধস্ততার কথা বলতে চায়।কথার স্বাধীনতা চায়। চিন্তার স্বাধীনতা চায়। অন্যটি ‘আগ্রাসনবাদ’ এর প্রতিনিধি। যে ভাষাকে গ্রাস করে নিজের আধিপত্য বিস্তার করতে চায়। শাসন করতে চায়।

আপনার মতামত দিন



শিক্ষাঙ্গন অন্যান্য খবর

প্রধানমন্ত্রীর লেখা চিঠি পৌঁছে যাবে আজকেই

১৭ই মার্চের প্রাথমিকের সকল কর্মসূচি বাতিল

১৬ মার্চ ২০২০



শিক্ষাঙ্গন সর্বাধিক পঠিত



প্রধানমন্ত্রীর লেখা চিঠি পৌঁছে যাবে আজকেই

১৭ই মার্চের প্রাথমিকের সকল কর্মসূচি বাতিল