রোহিঙ্গাদের বিচার পাওয়ার আশা থাকছে

স্টাফ রিপোর্টার

প্রথম পাতা ১০ ডিসেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার | সর্বশেষ আপডেট: ৩:২৭

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী ব্যারিস্টার সারা হোসেন বলেছেন, হেগে অবস্থিত জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত
ইন্টারন্যাশনাল র্কোট অব জাস্টিসে (আইসিজে) সুচির যাওয়ার ঘটনা একটি ব্যতিক্রম ব্যাপার। সাধারণত রাষ্ট্র প্রধানরা সরাসরি এ ধরনের মামলার শুনানিতে হাজির হন না। সুচি গেছেন নিশ্চয়ই এর সঙ্গে তার দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির স্বার্থ জড়িত রয়েছে। সামনে মিয়ানমারের নির্বাচন। তার দেশের জনগণের সমর্থন আদায় করার একটি কৌশল হতে পারে। আমরা জানি যে, যারা মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হন বা গণহত্যার শিকার হন তাদের বিচার পেতে অনেকদিন অপেক্ষা করতে হয়। কিন্তু মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলা জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত আমলে নিয়েছে এবং  দ্রুত মামলাটি এগুচ্ছে এটা অবশ্যই একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। এতে রোহিঙ্গাদের বিচার পাওয়ার আশা থাকছে।
যে সকল রোহিঙ্গা গণহত্যার শিকার হয়েছে তাদের পরিবার বা যে সকল রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে তারা অনেক আশা ভরসা নিয়ে এই মামলার দিকে তাকিয়ে আছে। আমরা আশা করছি, জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত অবশ্যই অর্ন্তবর্তী কোন আদেশ দিবে এবং রোহিঙ্গারা সুরক্ষা পাবে।

আপনার মতামত দিন

প্রথম পাতা অন্যান্য খবর

৫০ ভোটকেন্দ্র নিয়ে শঙ্কা

২০ জানুয়ারি ২০২০

নারীবান্ধব শহর গড়ে তুলবো

২০ জানুয়ারি ২০২০

ভোটের লড়াইয়ে জিততে হবে

২০ জানুয়ারি ২০২০

ভোটাররাই আমার অভিভাবক

২০ জানুয়ারি ২০২০

কূটনীতি

ঢাকায় ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলন প্রস্তুতি এবং...

২০ জানুয়ারি ২০২০

নাগরিকত্ব সংশোধন আইন ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়

বুঝতে পারছি না কেন তারা এটা করলো

২০ জানুয়ারি ২০২০

ঢাকা সিটিতে ভোট ১লা ফেব্রুয়ারি

পিছু হটলো নির্বাচন কমিশন

১৯ জানুয়ারি ২০২০





প্রথম পাতা সর্বাধিক পঠিত