বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ করেছেন: কাদের

স্টাফ রিপোর্টার

শেষের পাতা ৭ ডিসেম্বর ২০১৯, শনিবার | সর্বশেষ আপডেট: ১:০০

আদালত প্রাঙ্গণে বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ করেছেন বলে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বলেন, এটা কোনো রাজনৈতিক মামলা নয় যে রাজনৈতিকভাবে সরকার মুক্তি দিতে পারে। এটা হলো দুর্নীতির মামলা। গতকাল ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের ২১তম জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে গঠিত দপ্তর উপ-কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। এসময় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, দুর্নীতির মামলায় সরকারের কিছু করার নেই। এটা আদালতের বিষয়। আজকে তারা কথায় কথায় বলে রাজনৈতিকভাবে আটকে রাখা হয়েছে, বন্দি করে রাখা হয়েছে। এগুলো মিথ্যা এবং সত্যের অপলাপ।
বিষয়টি তারা জেনে শুনেই মিথ্যাচার করছে। তিনি বলেন, আদালত প্রাঙ্গনে তারা রনাঙ্গন সৃষ্টি করেছে, এটা সবাই দেখেছে। আদালতের ভেতরে শেষ পর্যন্ত প্রধান বিচারপতিকে কমেন্ট করতে হয়েছে-আমি এমন ঘটনা কখনও দেখিনি। বাড়াবাড়িরও একটা সীমা আছে। ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নেতারা একেক জন একেক কথা বলেন। কেউ বলেন দুর্বার আন্দোলন ছাড়া মুক্তি নেই আবার কেউ বলে আন্দোলন করার সময় এখনও হয়নি। তাদের নেতৃত্বের মধ্যে খালেদা জিয়ার মুক্তি নিয়ে নানান কথা। আমাদের এখানে কি করার আছে। আমরা এখানে রাজনৈতিক মামলা হলে মুক্তির বিষয়টা বিবেচনা করতাম। আসলে তাদের দগদগে ব্যর্থতা, এ ব্যর্থতার কোনও সীমা নেই। তারা রাজনৈতিকভাবেও ব্যর্থ।

সাংগঠনিকভাবে তাদের নেতৃত্বের নির্দেশ আসে টেমস নদীর ওপার থেকে। তাদের নেতৃত্ব ঠিক নেই। ওবায়দুল কাদের বলেন, তাদের এখন এই অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার দুরভিসন্ধি ছাড়া তাদের আর কিছু করার নেই। বিএনপি এখন আদালত প্রাঙ্গনে, আদালতের ভেতরে যে হট্টগোল সৃষ্টি করেছে, এটাই এখন তাদের রাজনীতি। তারা এখন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে, তারা এখন উস্কানী দেবে। খালেদা জিয়া জেলে রাজার হালে আছেন- প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ওপরে চাপ সৃষ্টি করেছে বলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের অভিযোগের জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রধানমন্ত্রী যখন কথা বলেন তিনি জেনেশুনেই বলেন। তারা (বিএনপি নেতারা) কী বলছেন সেটা বিবেচনা করে কথা বলেন না। তিনি (প্রধানমন্ত্রী) যেটা বলেন সেটা নীতিগতভাবে বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, দ্রব্যমূল্য অস্বাভাবিক করার জন্য তাদেরও একটা কারসাজি আছে সেটাও আমরা তদন্ত করছি। এখনও তারা নীরব আছে তা না, তারা প্রত্যেকটি ঘটনায় ইন্ধন দিচ্ছে।

এদিকে অপর এক প্রশ্নে ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামী কাউন্সিলে আওয়ামী লীগের একটা পদে কোন পরিবর্তন আসবে না। সেটা হচ্ছে আমাদের পার্টির সভাপতি। আমাদের সভাপতি দেশরত্ন শেখ হাসিনা। তিনি ছাড়া আমরা কেউই অপরিহার্য না। তিনি এখনও আমাদের জন্য প্রাসঙ্গিক অপরিহার্য। তৃণর্মূল পর্যন্ত সবাই তার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ। তিনি বলেন, এর পরের পদটা কাউন্সিলরদের মাইন্ড সেট করে দেয়। সেটাও তিনি ভাল করে জানেন। আর দল কিভাবে চলবে, কাকে দিয়ে চলবে সেটাও তিনি জানেন। তিনি যেটা ভাল মনে করবেন সেটাই করবেন। পরিবর্তন করলেও তার ইচ্ছা, তিনি ডিসাইড করবেন এ ব্যপারে কারও কোন কথা থাকবে না। সভায় আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও দপ্তর কমিটির আহ্বায়ক পীযুষ কান্তি ভট্টাচার্য, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, উপ-দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত দিন

শেষের পাতা অন্যান্য খবর

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুন্নয়ন খাতের ব্যয়

৫ বছরে বেড়েছে ২,৪২১ কোটি টাকা

১৮ জানুয়ারি ২০২০

নিরাপদ সড়ক আন্দোলন

সেই ১১ শিক্ষার্থী মামলার বেড়াজালে

১৮ জানুয়ারি ২০২০

অনশনে অসুস্থ ৯ শিক্ষার্থী

১৮ জানুয়ারি ২০২০

অন্যরকম প্রতিবাদ

১৭ জানুয়ারি ২০২০

অনশনে শিক্ষার্থীরা

১৭ জানুয়ারি ২০২০

ছাত্রদলের বিক্ষোভ

১৭ জানুয়ারি ২০২০





শেষের পাতা সর্বাধিক পঠিত