ভারতের বিশ্ববিদ্যালয়ে মুসলিম শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে বিক্ষোভ

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ৯ নভেম্বর ২০১৯, শনিবার | সর্বশেষ আপডেট: ৪:৪৬
ভারতের বানারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএইচইউ) সংস্কৃত বিভাগে এক মুসলমান শিক্ষককে নিয়োগ দেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখিয়েছে শিক্ষার্থীরা। বিএইচইউ কর্তৃপক্ষ পরবর্তীতে এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ভাইস চ্যান্সেলরের নেতৃত্বে স্বচ্ছ বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সর্বসম্মতিক্রমে সবচেয়ে যোগ্য প্রার্থীদেরই এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের উভয়ের ক্ষেত্রেই সমান সুযোগ প্রদানের মাধ্যমে বৈষম্যের উর্ধ্বে উঠে দেশ গঠনের জন্যই এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিএইচইউ’র সংস্কৃত বিদ্যা ধর্ম বিজ্ঞান অনুষদের সাহিত্য বিভাগে সম্প্রতি সহকারী অধ্যাপক হিসেবে ফিরোজ খান নামে এক শিক্ষককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই নিয়োগের বিরোধীতা করে ভাইস চ্যান্সেলরের বাড়ির পাশে একদল শিক্ষার্থী অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেছে। তাদের দাবি, ওই নিয়োগ বাতিল করতে হবে।
পুনিত মিশ্র নামে একজন বিক্ষোভকারী বলেন, বিএইচইউ’র প্রতিষ্ঠাতা মদন মোহন মালভিয়ার মূল্যবোধ রক্ষার্থেই এই আন্দোলন। তার দাবি, সংস্কৃত অনুষদে পাথরে খোচাই করে লেখা আছে যে, এই অনুষধে কেবল হিন্দু, জৈন, বৌদ্ধ ও আর্য সমাজের অনুসারীরা প্রবেশ করতে পারবে। তার বক্তব্য, আমরা ওই মুসলিম শিক্ষকের বিরোধীতা করছি না।
আমরা শুধু মহামনা মালভিয়ার মূল্যবোধকে সমর্থন করছি। লড়াই করছি।
আন্দোলনের নেতৃত্বে আছেন শুভম তিওয়ারি নামে এক পিএইচডি গবেষক। তিনি বলেন, সংস্কৃত অনুষদে একজন অযোগ্য ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ঘুষের বিনিময়ে। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ভিসি বরাবর স্মারকলিপিও প্রদান করে। তিওয়ারি বলেন, যখন একজন ব্যক্তিকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়, তিনি ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত শিক্ষকতা করবেন। এতগুলো বছর বহু শিক্ষার্থী শিখতে আসবে। তাদের ভবিষ্যত এভাবে একেবারে নষ্ট করে দেওয়া হলো।
তবে সংস্কৃত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রাম নারায়ন দ্বিবেদি এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলছেন, সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করেই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বিএইচইউ’র বহু শিক্ষার্থী ও সামাজিক যোগাযোগ ব্যবহারকারীরা আন্দোলনকারীদের অবস্থানের সমালোচনা করেছেন।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

রিপন

২০১৯-১১-১০ ০৮:২৪:৩৯

জিন্নার দ্বিজাতিত্ত্বই সঠিক ছিল।

আপনার মতামত দিন

যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে তুরস্ক ও গ্রিস!

‘পুরস্কার নিয়ে আফসোস নেই আমার’

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ডাকাতদের গোলাগুলি, নিহত ১

সমন্বয়হীনতা ও পর্যবেক্ষণের অভাবে বাজারে এমন অবস্থা

মাবিয়ার ইতিহাসের দিনে তিন স্বর্ণ বাংলাদেশের

বন্ধু সৈকত গ্রেপ্তার

তিন বিভাগের মধ্যে সমন্বয়ে গুরুত্বারোপ

ওবায়দুল কাদেরের বিকল্প কে?

দীর্ঘ হচ্ছে দুদকের অনুসন্ধান তালিকা বেশির ভাগই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী

রাজধানীর পৃথকস্থানে দু’টি বাসে আগুন

বঙ্গবন্ধুকে ‘ডক্টর অব ল’ সম্মাননা দেবে ঢাবি

জটিলতায় আটকে আছে ২ লক্ষাধিক ড্রাইভিং লাইসেন্স

‘আওয়ামী লীগ আমার আবেগ আমার অস্তিত্ব’

সভাপতি এমএ সালাম সম্পাদক আতাউর

রোহিঙ্গাদের অধিকার বিষয়ক অফিস বন্ধের নির্দেশ বাংলাদেশের

সমাধান খুঁজছে সিলেট বিএনপি